কবি নজরুল ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৯ অক্টোবর ২০২১

ইতিহাস ও কার্যাবলি

ইতিহাস :

বাংলা সাহিত্যের অবিস্মরণীয় যুগস্রষ্টা কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি তাঁর বিস্ময়কর প্রতিভার যাদু স্পর্শে শুধু কবিতা নয় সংগীতেও রেখে গেছেন অতুলনীয় অবদান। আমাদের সাহস সৌন্দর্য ও শৈল্পিক অহংকারের মহত্তম নামটিও তাঁরই। বাংলাদেশের সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতির প্রধান রূপকার এই মহান কবি আমাদের মানবিক চেতনারও প্রতীক। এজন্য তিনি আমাদের জাতীয় কবি। তাঁর অমর স্মৃতি রক্ষা, তাঁর জীবন, সাহিত্য, সংগীত ও সামগ্রিক অবদান সম্পর্কে গবেষণা পরিচালনা, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রকাশনা ও প্রচার এবং তাঁর ভাব-মূর্তি দেশ-বিদেশে উজ্জ্বলরূপে তুলে ধরার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে Nazrul Institute Ordinance 1984 অনুযায়ী ধানমণ্ডির ২৮নং সড়কের ৩৩০-বি বাড়িতে নজরুল ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ‘কবি নজরুল ইনস্টিটিউট আইন ২০১৮’ আইনের অধীনে ‘কবি নজরুল ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠিত হয়। 

 

কার্যাবলি :

১. কবির সাহিত্য, সংগীতসহ সকল সৃষ্টিকর্ম অনুশীলনে ‍উৎসাহিত করা; ২. কবির সাহিত্য, সংগীতসহ সকল সৃষ্টিকর্ম দেশ ও বিদেশ হইতে সংগ্রহ, সংকলন ও সংরক্ষণ করা এবং এইগুলিকে অবিকৃতভাবে আধুনিক পদ্ধতিতে প্রকাশ এবং প্রচার করা; ৩. কবির সাহিত্য, সংগীতসহ সকল সৃষ্টিকর্মের উপর গবেষণা, প্রকাশনা, সংরক্ষণ এবং উহা প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ৪. সংগীত, সাহিত্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে কবির অবদান সম্পর্কিত বিষয়ে সম্মেলন, বক্তৃতা, বিতর্ক ও সেমিনার আয়োজন করা; ৫. নজরুল সংগীত ও সাহিত্য সম্পর্কিত পুস্তক, রেকর্ড, টেপ ও অন্যান্য সংগ্রহ সংরক্ষণের জন্য লাইব্রেরি এবং আর্কাইভস প্রতিষ্ঠা করা; ৬. নজরুল সংগীত সঠিক চেতনায়, ধারায় এবং পদ্ধতিতে প্রচারের জন্য অবিকৃত বাণী ও সুরে স্বরলিপি তৈরি এবং গ্রহণযোগ্য মর্যাদায় গ্রামোফোন রেকর্ড,বাণিজ্যিক টেপ, চলচ্চিত্র, সিডি, ডিভিডি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া, নূতন প্রযুক্তি মাধ্যম এবং বাংলাদেশে প্রকাশিত স্বরলিপির বইতে এইগুলির উপস্থাপনা তদারকি করা; ৭. নজরুল সংগীত, নজরুল সংগীতভিত্তিক নৃত্য, নজরুল কবিতার কোরিওগ্রাফি এবং নজরুলের কবিতা আবৃত্তির যথার্থ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা; ৮. নজরুল সংগীত শাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি প্রদানের ব্যবস্থা করা; ৯. নজরুল সংগীত, সাহিত্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রত্যেক বৎসর, এতদ্‌সংক্রান্ত বাছাই কমিটির সুপারিশ ও বোর্ডের অনুমোদনক্রমে, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এককভাবে অথবা যৌথভাবে ‘নজরুল পুরস্কার’ প্রদান করা; ১০. ইনস্টিটটিউটের তথ্যাদির ওয়েবসাইট সহজলভ্য এবং নিয়মিত হালনাগাদ করা; ১১. নজরুলের সৃষ্টির প্রচার ও প্রসারের জন্য সকল সাহিত্যকর্ম, স্বরলিপি এবং অবিকৃত বাণী ও সুরে গীত-সংগীত ওয়েবসাইটে অন্তর্ভুক্ত করা; ১২. পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় কবির সাহিত্যকর্মের অনুবাদ প্রকাশ ও বিশ্বব্যাপী প্রচারের ব্যবস্থা করা; এবং ১৩. এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্য ও বিষয় সম্পাদন করা।

 


Share with :

Facebook Facebook